রোধ গাইড ও নোট

- সাধারণ বিজ্ঞান - ভৌতবিজ্ঞান | NCTB BOOK
6.3k

রোধ (Resistance)

পরিবাহকের যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ বিঘ্নিত হয়, তাকে রোধ (Resistance) বলে। রোধের একক ওহম (Ohm)।

ও'মের সূত্র (Law's of Ohm)

নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে যে বিদ্যুৎ প্রবাহ চলে, তা ঐ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। বিভব পার্থক্য = রোধ বিদ্যুৎ প্রবাহ (V = RI)

রোধের সূত্র (Law's of Resistance)

কোনো পরিবাহকের রোধ চারটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যথা: পরিবাহকের দৈর্ঘ্য, পরিবাহকের প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল, পরিবাহকের উপাদান এবং পরিবাহকের তাপমাত্রা। একই উপাদানের তৈরি সুষম প্রস্থচ্ছেদের লম্বা তারের রোধ ছোট তার অপেক্ষা বেশি হয়। একই উপাদান এবং একই দৈর্ঘ্যের মোটা তারের চেয়ে চিকন তারের রোধ বেশি হয়।

১. অধিক দূরত্বে তড়িৎ প্রেরণে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় এবং তড়িৎ প্রবাহ কমানো হয়, কারণ এতে তাপ শক্তি উৎপাদন কম হয় বলে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়।

২. বৈদ্যুতিক পাখার ঘূর্ণনের গতি রেগুলেটরের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। রেগুলেটরে থাকে পরিবর্তনশীল রোধ। রেগুলেটরের রোধ বাড়িয়ে দিলে বিদ্যুৎ প্রবাহ কমে যায়, ফলে পাখা ধীরে ঘোরে। কিন্তু এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না কারণ রেগুলেটরে সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ তাপশক্তি হিসেবে অপচয় হয়।

৩. সাধারণ বৈদ্যুতিক বাতির ফিলামেন্টে রোধের কারণে তাপ সৃষ্টি হয়। ফলে তাপশক্তি হিসেবে কারণে বিদ্যুতের অপচয় হয়।

জেনে রাখা ভালো

১. PN-ডায়াডকে ফরোয়ার্ড বায়াস করলে রোধ কমে।

২. PN-ডায়াডকে রিভার্স বায়াস করলে রোধ বাড়ে।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

Promotion

Are you sure to start over?

Loading...