জীব বিজ্ঞান

- সাধারণ বিজ্ঞান - জীব বিজ্ঞান | NCTB BOOK
4k

জীববিজ্ঞান (Biology)

Biology শব্দটি এসেছে দটি গ্রীক শব্দ (Bios যার অর্থ জীবন এবং logos অর্থ জ্ঞান) থেকে। ফরাসি প্রকৃতিবিদ জঁ বাতিস্ত লামার্ক জীবিত বস্তু সংক্রান্ত অনেকগুলো শাস্ত্রের ধারক নাম হিসেবে ‘Biology’ শব্দের প্রচলন করেন। জীবের ধরন অনুযায়ী জীববিজ্ঞানকে প্রধানত দুটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যথা- উদ্ভিদবিজ্ঞান (Botany) এবং প্রাণিবিজ্ঞান (Zoology)।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

খোলসের অংশ
চোখের মণি
প্রদাহের ফল
জমাট হরমোন
মিয়ানমারের পোপা
লিপারী দ্বীপের ট্রম্বলি
ইতালির ভিসুভিয়াস
জাপানের ফুজিয়ামা

জীববিজ্ঞানের বিকাশ

2.3k

জীববিজ্ঞানের বিকাশ একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যা প্রাচীনকালে পর্যবেক্ষণভিত্তিক জ্ঞান থেকে শুরু হয়ে আধুনিক আণবিক জীববিদ্যা ও জিনতত্ত্বে রূপ নিয়েছে। অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে ডারউইনের বিবর্তনবাদ, মেন্ডেলের বংশগতি, এবং বর্তমানে CRISPR প্রযুক্তির মাধ্যমে জিন এডিটিং, এই বিজ্ঞান জীবনের গঠন, কার্যকারিতা ও বিবর্তনের রহস্য উন্মোচন করে চিকিৎসা ও কৃষিক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে

জীববিজ্ঞানের বিকাশের প্রধান পর্যায়গুলো নিচে দেওয়া হলো:

প্রাচীন ও ধ্রুপদী পর্যায়: অ্যারিস্টটলকে প্রাণিবিদ্যার জনক বলা হয়, যিনি প্রথম জীবের শ্রেণিবিন্যাস করেন। প্রাচীনকালে চিকিৎসা ও উদ্ভিদের ব্যবহারিক জ্ঞান ছিল বিকাশের সূচনা ।

অণুবীক্ষণ যন্ত্রের আবিষ্কার (১৭-১৮ শতাব্দী): রবার্ট হুক কর্তৃক কোষ (Cell) আবিষ্কার জীববিজ্ঞানের ধারাই পাল্টে দেয় ।

বিবর্তনবাদ ও বংশগতি (১৯ শতাব্দী): চার্লস ডারউইন 'প্রাকৃতিক নির্বাচন' (Natural Selection) মতবাদের মাধ্যমে জীবনের বৈচিত্র্য ব্যাখ্যা করেন। গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির সূত্রাবলি আবিষ্কার করেন, যা জেনেটিক্সের ভিত্তি স্থাপন করে।

আধুনিক ও আণবিক পর্যায় (২০-২১ শতাব্দী): ১৯৫৩ সালে ওয়াটসন ও ক্রিক কর্তৃক DNA-এর ডাবল হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কার জীববিজ্ঞানের বিকাশে নতুন যুগের সূচনা করে।

বর্তমান যুগ (সংশ্লেষিত জীববিজ্ঞান): বর্তমানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, স্টেম সেল গবেষণা, এবং AI-এর ব্যবহারে চিকিৎসাবিজ্ঞান (রোগ নিরাময়) ও কৃষি (উন্নত জাতের ফসল) দ্রুত উন্নত হচ্ছে ।

জীববিজ্ঞানের বিকাশের মূল ক্ষেত্রসমূহ:

১. আণবিক জীববিজ্ঞান: জীবের মৌলিক অণু (DNA, RNA, প্রোটিন) নিয়ে গবেষণা ।
২. উন্নয়নমূলক জীববিজ্ঞান (Developmental Biology): জাইগোট থেকে পূর্ণাঙ্গ জীবের বৃদ্ধি ও বিকাশের প্রক্রিয়া অধ্যয়ন ।
৩. ইভোলিউশনারি বায়োলজি (Evo-devo): বিবর্তনের সাথে বিকাশের সম্পর্ক স্থাপন ।
একবিংশ শতাব্দীতে জীববিজ্ঞানের বিকাশ মানবজাতির স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জীবের নামকরণ

1.2k

জীবের নামকরণ (Nomenclature)

কোনো বিশেষ জীব বা জীবকুলের নির্দিষ্ট নামে সনাক্তকরণের পদ্ধতিকে বলা হয় নামকরণ। প্রতিটি জীবই কোনো বিশেষ অঞ্চলে আঞ্চলিক ভাষা অনুসারে। বিশেষ বিশেষ নামে পরিচিত। এরূপ আঞ্চলিক নামকরণ প্রথা বিশেষ জীবটির সনাক্তকরণের ব্যাপারে সমস্যা সৃষ্টি করে। সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম নামকরণের একটি প্রথা প্রবর্তন করেন। এটি দ্বিপদ নামকরণ প্রথা (Binomial Nomenclature System) নামে। পরিচিত ক্যারোলাস লিনিয়াসকে ‘শ্রেণিবিদ্যা’ এর জনক বলা হয়। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ Systema Naturae Species Plantarum, Genera Plantarum Philosophia Botanica প্রভৃতি।

নামকরণের নিয়মাবলি-

- প্রত্যেক জীবের একটি বৈজ্ঞানিক নাম থাকবে এবং তার দুটি অংশ থাকবে। দ্বিপদ নামের প্রথম অংশ ঐ জীবের গণ (Genus) এর নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি প্রজাতি (Species) নামের নির্দেশক।

- বৈজ্ঞানিক নামটি অবশ্যই ল্যাটিন বা ল্যাটিনকৃত হতে হবে।

- দ্বিপদ নামকরণ ছাপা অক্ষরে হলে সর্বদা ইতালিক হরফে (ডান দিকে বাঁকা করে) হবে (Bufo melanostictus, কুনোব্যাঙ)।

- দ্বিপদ নামকরণ হাতে লিখলে ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করতে হবে এবং প্রতিটি অংশের নিচে (একটি গণ, অপরটি প্রজাতির) আলাদা আলাদাভাবে দাগ টানতে হবে। (Homo sapiens - মানুষ)।

- গণ নামটি বিশেষ্য ও এর আদ্যক্ষর অবশ্যই বড় হরফে লিখতে হবে এবং প্রজাতি নামটি বিশেষণ যার আদ্যক্ষরটি ছোট হরফে লিখতে হবে। (শাপলা ফুল - Nymphaea nouchali)

- আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নালে সর্বপ্রথম প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক নামই স্বীকৃতি পাবে।

- যে বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম কোনো জীবের বিজ্ঞানসম্মত বর্ণনা দিবেন, তার নাম উক্ত জীবের দ্বিপদ নামের শেষে সংযোজিত হবে।

Content added By

জীববিজ্ঞানের শাখা

1.7k

বিভিন্ন শাখার জনক

শাস্ত্র

জনক

শাস্ত্র

জনক

বিজ্ঞানথেলিসরসায়নজাবির ইবনে হাইয়ান
শ্রেণিবিদ্যাক্যারোলাস লিনিয়াসমনোবিজ্ঞানউইলহেম উন্ড
জীবাণুবিদ্যালুই পাস্তুরআধুনিক মনোবিজ্ঞানসিগমন্ড ফ্রয়েড
অ্যানাটমিআদ্রে ভেসালিয়াসভূগোলইরাতেস্থিনিস
চিকিৎসাবিজ্ঞানহিপোক্রেটিসআধুনিক জ্যোর্তিবিজ্ঞানকোপার্নিকাস
হোমিওপ্যাথিস্যামুয়েল হ্যানিম্যানদর্শনশাস্ত্রসক্রেটিস

শাখা

আলোচ্য বিষয়

শাখা

আলোচ্য বিষয়

Morphologyবাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কিত বিদ্যা বা অঙ্গ সংস্থানবিদ্যাAnthropologyমানুষের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্বন্ধীয় বিজ্ঞান
Anatomyশারীরস্থান বিদ্যাEntomologyকীটপতঙ্গ সম্পর্কিতবিদ্যা
Physiologyশারীরবিদ্যাMicrobiologyঅণুজীব বিষয়ক বিজ্ঞান
Embryologyভ্রূণ সম্পর্কিত বিদ্যাVirologyভাইরাস সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Geneticsবংশগতি বিদ্যাBacteriologyব্যাক্টেরিয়া সম্পর্কিতবিজ্ঞান
Cytologyকলাস্থানবিদ্যাFaicologyশৈবাল সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Histologyটিস্যু তত্ত্বMycologyছত্রাক সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Ecologyবাস্তুসংস্থানবিদ্যParasitologyপরজীবী সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Evolutionবিবর্তনবিদ্যাHelminthologyকৃমি সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Taxonomyশ্রেণীবদ্ধবিদ্যাToxicologyবিষ সম্পর্কিত বিদ্যা
Herpetologyউভচর ও সরীসৃপ বিষয়কOrnithologyপাখি সম্পর্কিত বিদ্যা
Palynologyপরাগরেণু বিদ্যাPaleontologyজীবাশ্ম বিদ্যা
Geologyভূতত্ত্ববিদ্যাIchthyologyমাছ সম্পর্কিত বিদ্যা

চিকিৎসা বিজ্ঞান (Medical Science)

বিজ্ঞানের শাখা

আলোচ্য বিষয়

Osteologyহাড় বিষয়ক চিকিৎসা বিজ্ঞান
Opthalmologyচোখ বিষয়ক চিকিৎসা বিজ্ঞান
Oncologyটিউমার সংক্রান্ত বিজ্ঞান
Paediatricsশিশুদের (Children) চিকিৎসা বিজ্ঞান
Psychologyমনোবিজ্ঞান। 'অবসেশন' শব্দটি এই শাখার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত
Neurologyস্নায়ু সম্পর্কিত চিকিৎসা বিজ্ঞান
Dermatologyচর্ম বিষয়ক চিকিৎসা বিজ্ঞান
Radiologyরঞ্জন রশ্মি সম্পর্কিত বিজ্ঞান
Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

রেশম চাষ
মৌমাছি পালন
কবুতর পালন
পোকা পালন
উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি
পাখিপালন বিষয়াদি
রেশমচাষ বিষয়াদি
উড়োজাহাজ সংক্রান্ত বিষয়াদি
পিসিকালচার (Pisciculture)
সেরিকালচার (Sericulture)
এপিকালচার (Apiculture)
হর্টিকালচার (Hoticulture)

ফলিত জীববিজ্ঞান

1.8k
ফলিত প্রাণিবিজ্ঞান (Applied Zoology)

বিজ্ঞানের শাখা

আলোচ্য বিষয়

এপিকালচার (Apiculture)মৌমাছি পালন বিজ্ঞান
এভিকালচার (Aviculture)পাখি পালন বিজ্ঞান
পিসিকালচার (Pisciculture)মৎস্যচাষ বিজ্ঞান
প্রনকালচার (Prawn cultue)চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান
পার্ল কালচার (Pearl cullure)মুক্তা চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান
ফ্রগ কালচার (Frog culture)ব্যাঙ চাষ বিষয়ক বিজ্ঞান
অ্যানিম্যাল হাজবেনড্রি (Animal husbandry)গবাদি পশুপালন বিদ্যা
পোলট্রি ফার্মিং (Paultry Farming)হাসমুরগি পালন বিদ্যা
হর্টিকালচার (Horticulture)উদ্যান পালন বিদ্যা
সেরিকালচার (Sericulture)রেশম চাষ বিজ্ঞান
লাক কালচার (Lac Culture)লাক্ষা চাষ বিজ্ঞান

মৌমাছি (Bee)

উপকারী পতঙ্গের মধ্যে মৌমাছি অন্যতম। একটি রাণী মৌমাছি ১০০০ বার ডিম পাড়ে। প্রতি চাকে একটি রাণী মৌমাছি এবং কয়েকটি পুরুষ মৌমাছি থাকে। কর্মী মৌমাছি এরা প্রকৃতপক্ষে স্ত্রী মৌমাছি কিন্তু এরা বন্ধ্যা। কর্মী মৌমাছি ফুল থেকে পুষ্পসার বা নেষ্টার সংগ্রহ করে। মৌমাছিদের পাকস্থলীতে এ রস থেকে পানি অপসারিত হয়ে মধুতে পরিণত হয়। কর্মী মৌমাছির দেহে অবস্থিত মোম গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত পদার্থ থেকে মোম তৈরি হয়। মৌমাছি মূলত বসন্তকালে ফুল হতে মধু আহরণ করে।

রেশম পোকা (Silk Worm)

উপকারী পতঙ্গের মধ্যে রেশম পোকা অন্যতম। রেশম পোকার গুটি থেকে উন্নত মানের সুতা তৈরি হয় যা বস্ত্রশিল্পে ব্যবহৃত হয়। বিপুল ও সোনালী উন্নত জাতের রেশম পোকা।

পেস্ট (Paste)

ক্ষতিকারক পতঙ্গকে পেস্ট বলে। যেমন: ধান হলুদ মাজরা পোকা ও পামরী পোকা, পাটের বিছাপোকা ও চেলে পোকা, আখের ডগার মাজরা পোকা প্রভৃতি। পামরী পোকা (শুককীট ও পূর্ণাঙ্গ পোকা) ধানপাতার সবুজ অংশ খেয়ে ফেলে। এতে পাতা শুকিয়ে সাদা হয়ে যায়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের অভাবে ধানের ফলন কমে যায়।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সিলেটের বনভূমি

ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি

খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি

বিজ্ঞানীদের পরিচয়

2.7k

বিজ্ঞানীদের পরিচয়

এরিস্টটল (Aristotle)

গ্রিক বিজ্ঞানী এরিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনি সর্বপ্রথম প্রাণিবিজ্ঞানকে বিজ্ঞানের একটা শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি লেছবছ নামে একটা দ্বীপে একাধারে পাঁচ বছর অবস্থান করে প্রাণিদের উপর গবেষণা করেন। প্রাণিদের সম্বন্ধে তিনি 'Historia animalium' নামে একখানা জ্ঞানগর্ভ ও তথ্যবহুল পুস্তক রচনা করেন।

থিওফ্রাসটাস (Theophrastus)

গ্রিক বিজ্ঞানী থিওফ্রাসটাকে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনি বিখ্যাত দার্শনিক এরিস্টটলের ছাত্র ছিলেন। তিনি সমস্ত উদ্ভিদকে Tress (বৃক্ষ), Shrubs (গুল্য), Undershrubs (উপগুল্ম), Herbs (বীরুৎ) এই চারভাগে ভাগ করেন। 'On the History of Plants' এবং 'On the Causes of Plants' গ্রন্থগুলো তাঁর উল্লেখযোগ্য রচিত গ্রন্থ।

আল বিরুনী (AL Biruni)

বিশ্বখ্যাত শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত আল বিরুনী ছিলেন একজন আরব বিজ্ঞানী। তাঁর প্রকৃত নাম আবু রায়হান মোহাম্মদ ইবনে আহমদ আল বিরুনী। গজনীর সুলতান মাহমুদের সময়ে তিনি ভারতবর্ষে বেড়াতে আসেন। তিনি 'কিতাবুল তারিকিল হিন্দ' নামে বিশ্ববিখ্যাত একখানা গ্রন্থ রচনা করেন।

ইবনে সিনা (Ibn Sina)

তিনি একজন বিখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও বিজ্ঞানী ছিলেন। রসায়নবিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা, গণিতশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যায় এবং ভাষা বিদ্যায় তার অসামান্য পারদর্শিতা ছিল। তিনি চিকিৎসা শাস্ত্রের উপর 'আলকানুন' নামক ১৪ খণ্ডাংশের একটি বই লিখেন। এছাড়াও ইবনে সিনা কিতাব আশ শিফা, কিতাব আল ইশারাৎ নামক গ্রন্থ গুলো রচনা করেন।

এনথনি ফন লিউয়েনহুক (Anthony Von Leeuwenhoek)

ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েনহুক ১৬৮৩ সালে সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন। অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে তিনি ব্যাকটেরিয়া, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদি আবিষ্কার করেন।

আন নাফীস (An Nafis)

আন নাফীস একজন আরব বিজ্ঞানী। তিনি সর্বপ্রথম মানুষের রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি সম্বন্ধে সঠিক বর্ণনা প্রদান করেন। তাঁর প্রকৃত নাম আবু হাসান আলী ইবনে আন নাফীস।

উইলিয়াম হার্ভে (William Harvey)

উইলিয়াম হার্ভে ছিলেন একজন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী। তিনি ১৬২৮ সালে রক্ত সঞ্চালন প্রকিয়া আবিষ্কার করেন। তিনি প্রাণিদের রক্ত সঞ্চালন এবং রেচন প্রক্রিয়ার সুস্পষ্ট ধারণা প্রদান করেন, এজন্য তাকে শারীরবিদ্যার জনক বলা হয়। `On the motion of the heart and blood in animals' গ্রন্থটি তাঁর লিখা।

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (Alexander Fleming)

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ছিলেন একজন অণুজীববিদ। আলোকজেন্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে Penicillium নামক ছত্রাক হতে Penicillin অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন। অতিশক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক দ্বারা রোগ নিরাময় ব্যবস্থাকে কেমোথেরাপি বলে।

ডেভিড প্রেইন (David Prain)

ডেভিন প্রেইন ছিলেন একজন ইংরেজ চিকিৎসক। বাংলাদেশ ও এর আশেপাশের অঞ্চলের গাছপালার বিবরণ সংক্রান্ত তাঁর প্রসিদ্ধ গ্রন্থ দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়, প্রথম খণ্ডটি 'Bengal Plants' এবং ২য় খণ্ডটি Flora of Sundribans'.

সালিম আলী (Salim Ali)

সালিম আলী ভারতের 'The Birdman of India' নামে পরিচিত বিশিষ্ট পক্ষীবিদ। তিনি ভারতের সকল পাখিকে বিজ্ঞান ভিত্তিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে 'The Indian Birds' নামে একখানা তথ্যবহুল গ্রন্থ রচনা করেন। পাখিদের সম্বন্ধে আরোও অনেক গ্রন্থ রচনার জন্য ১৯৮৩ সালে ভারত সরকার সালিম আলীকে গবেষণার স্বীকৃতি স্বরুপ পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত করেন।

Content added By
Content updated By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সিলেটের বনভূমি

ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি।

পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি

খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...